দুরাইদ ইব্রাহিম বেড়ে উঠেছেন একটি খ্রিষ্টান পরিবারে। তার বাবা ছিলেন ইরাকের বার্তেলা শহরের একটি অর্থডক্স গীর্জার একজন পাদ্রী।
১৮ বছর বয়সী ইব্রাহিম ইসলাম সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। বন্ধুর প্রচেষ্টা এবং দাওয়াতের ফলে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। শুরু হয় তার ইসলামের প্রতি ভালবাসা, বৃদ্ধি পায় কুরআনের প্রতি আগ্রহ।

ইসলাম গ্রহণ করা পরপরই তিনি কুরআনের সূরা আল-কাহফ পড়ে রীতিমত এই সূরার প্রেমে পড়ে যান! তার কুরআন মুখস্থের শুরুটা এখান থেকেই।

সূরা কাহফের পর তিনি সূরা ইসরা, মারিয়াম, আম্বিয়া –এভাবে পরের সূরাগুলো মুখস্থ করতে থাকেন। সাথে সাথে যখন যে আয়াতই তার ভাল লাগতো তিনি তা মুখস্থ করে ফেলতেন। এরপর তিনি সূরা কাহফ থেকে সূরা বাক্বারা এর দিকে আসতে থাকেন। এভাবে প্রায় ২ বছর চেষ্টার ফলে তিনি সম্পূর্ণ কুরআনটি মুখস্থ করতে সক্ষম হন। আলহামদুলিল্লাহ!

ইব্রাহিম বলেন, আল্লাহ আমাকে এ পর্যন্ত যত নি’আমাত দান করেছেন তার মধ্যে এটি সর্বশ্রেষ্ঠ নি’আমাত।

ইব্রাহিম আত্ননিয়োগ করেছিলেন আরবী ভাষা শেখা, তাজউয়িদ শেখা, কুরআন মুখস্থ এবং কুরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনার জগতে। আল্লাহ তার প্রচেষ্টা কবুল করেছেন।

[হাউ টু মেমোরাইজ দা কুরআন ডটকম থেকে অনূদিত এবং সংক্ষেপিত।]