পৃথিবীতে কুরআনই একমাত্র গন্থ, যা তিলাওয়াত তথা পাঠ করার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। এরকম কিতাব পৃথিবীতে দ্বিতীয় আরেকটি নেই। এই নীতিমালার নাম তাজভীদ।

কুরআনুল কারীম সুন্দর ও সঠিকভাবে তিলাওয়াত করার জন্য যুগে যুগে ক্বারীগণ যে নীতিমালা অনুসরণ ও সংরক্ষণ করেছেন, তাকে তাজভীদ শাস্ত্র বলা হয়।

তাজভীদ অনুযায়ী কুরআন তিলাওয়াত না করলে কুরআনের শব্দ, বাক্য ও অর্থের বিকৃতি ঘটতে পারে। এজন্য কুরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে তাজভীদ মেনে চলা অত্যন্ত জরুরী।

উল্লেখ্য যে, কিরাতের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত ভিন্নতা থাকলেও তাজভীদের পদ্ধতিগত ভিন্নতা নেই। সকল কিরাতের জন্য একই তাজভীদ প্রযােজ্য।

উল্লেখ্য, আরবী হরফ وِ এর উচ্চারণ বাংলায় লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয় তাই وِ এর উচ্চারণ ‘ভী’ বা ‘ওয়ী’ বা ‘উয়ী’ ইত্যাদি লেখা হয়ে থাকে। এজন্য تجويد এর বাংলা উচ্চারণের ক্ষেত্রে ‘তাজভীদ’, ‘তাজওয়ীদ’, ‘তাজউয়ীদ’ ইত্যাদি লেখার প্রচলন দেখা যায়।