রাসূলুল্লাহ্ ﷺ বলেছেন, “জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আমাকে একভাবে কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন। এরপর আমি তাকে অন্যভাবে পাঠ করার জন্য অনুরোধ করতে লাগলাম এবং পুনঃ পুনঃ অন্যভাবে পাঠ করার জন্য অব্যাহতভাবে অনুরোধ করতে থাকলে তিনি আমার জন্য পাঠ পদ্ধতি বাড়িয়ে যেতে লাগলেন। অবশেষে তিনি সাত হারফে তিলাওয়াত করে সমাপ্ত করলেন।” [সহীহ বুখারী, ফাযায়িলুল কুরআন]

একবার উমার রাদ্বিয়াল্লাহ ‘আনহু হিশাম ইবন হাকীম রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহুকে সূরা ফুরকান তিলাওয়াত করতে দেখলেন। তিনি তার কিরাত গভীর মনোযোগ সহকারে শুনছিলেন। হিশাম ইবন হাকীম অন্য আঞ্চলিক ভাষায় কিরাত করছিলেন। যা উমারের কিরাতের সাথে মেলে না। এটা দেখে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু বেশ রাগান্বিত হলেন এবং তাকে জোর করে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে নিয়ে গেলেন। রাসূল ﷺ দুজনের কিরাতই শুনলেন এবং তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দিলেন। বললেন, কুরআন এরকম সাত উপ (আঞ্চলিক) ভাষায় নাযিল করা হয়েছে। সুতরাং তোমাদের জন্য যা সহজতর, সে পদ্ধতিতেই তোমরা পাঠ কর। [সহীহ বুখারী, ফাযায়িলুল কুরআন]

উম্মাহর উপর সহজ করার জন্যই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা এ পদ্ধতির অনুমোদন দেন। একটি হাদিসে রাসূল ﷺ বলেন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম বলেছেন, আল্লাহ আপনাকে হুকুম করেছেন যে, আপনার উম্মাত সাত হারফে কুরআন পাঠ করবে এবং এর যে কোন হারফ ও ধরন অনুসারে তারা পাঠ করলে তা-ই যথার্থ হবে। [সহীহ মুসলিম]